ফিরে পড়া ‘দহন’ – সংলাপের তীক্ষ্ণতায় সমাজের পৌরুষ-ধর্ম উন্মোচন

  • 03 November, 2026
  • 0 Comment(s)
  • 76 view(s)
  • লিখেছেন : অমর্ত্য বন্দ্যোপাধ্যায়
সুচিত্রা ভট্টাচার্যের কলমে ‘দহন’ উপন্যাসের অন্যতম প্রাপ্তি সংলাপ। নাতিদীর্ঘ, কাটা-কাটা উচ্চারণে যা চিনিয়ে দেয় গড়পড়তা পুরুষের স্বরূপ। আমরা মনে করি যুগযুগান্ত সময় ধরে আমাদের সমাজ অতি ধীর পদক্ষেপে ক্রমশ অগ্রসর হয়েছে। অথচ এর বিপরীতে আমরা বিস্মৃত হই, প্রকটে বা প্রচ্ছন্নে কোনও অবস্থাতেই আজ অবধি পুরুষের চোখে নারীর অবস্থান বড় একটা পালটিয়ে উঠতে পারেনি। সে কারণেই নারীর দর্পণে পুরুষের মূল্যায়ন – এই বিষয়ে আলোচনা জরুরি।

“চেস্টিটিটা কী জানেন ম্যাডাম? আমার যে ছেলেটা জন্মাচ্ছে সেটা যে আমারই, মানে আমিই যে তার বাবা, সেটা নিশ্চিত করে রাখার একটা অস্ত্র। ও অস্ত্রটা আমরাই চালাই। আমি যে সম্পত্তি বানাব, টাকা জমাব, সেটা একটা কোকিলের ছানা এসে ভোগ করবে এতো হতে পারে না!”[১]

সমাজ বহুস্তরীয়। সত্যনিষ্ঠ ও দক্ষ সাহিত্যিকের প্রতিভা সেই স্তরবিন্যাসকে তুলে আনায়। আমরা মনে করি যুগযুগান্ত সময় ধরে আমাদের সমাজ অতি ধীর পদক্ষেপে ক্রমশ অগ্রসর হয়েছে। অথচ এর বিপরীতে আমরা বিস্মৃত হই, প্রকটে বা প্রচ্ছন্নে কোনও অবস্থাতেই আজ অবধি পুরুষের চোখে নারীর অবস্থান বড় একটা পালটিয়ে উঠতে পারেনি। সে কারণেই নারীর দর্পণে পুরুষের মূল্যায়ন – এই বিষয়ে আলোচনা জরুরি।

 

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের সামাজিক উপন্যাস ‘দহন’, প্রথম প্রকাশ ১৯৯৪। পরবর্তীতে খ্যাতনামা চিত্রপরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের পরিচালনায় চলচ্চিত্র হিসেবে মুক্তি, ১৯৯৭। সেই বছরেই ছবিটি একাধিক জাতীয় পুরষ্কারে সম্মানিত হয়। এই উপন্যাস প্রসঙ্গে তাই, নতুন করে আরও কিছু বলারও অবসর নেই তেমন। কেবল ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে ২০২৬এর ভারতবর্ষে আরও একটিবার নিজেদের আয়নায় ফেলে দেখা। খুঁজতে চেষ্টা করা কতটুকু এগিয়েছি? এতগুলো বছর। আরও কতটুকু পথ বাকি? এখনও। এতদিন।

 

হিন্দুশাস্ত্রের বিচার করতে বসলে দেখা যাবে, “খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দী থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর পর পর্যন্ত যে সব শাস্ত্র রচিত হয়েছিল, তাতে নারীকে নিজের দেহের বা সম্পত্তির ওপরে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। বারবার বলা হয়েছে, শৈশবে পিতা, যৌবনে স্বামী, বার্ধক্যে পুত্ররা নারীর রক্ষাকর্তা, নারী স্বাধীনতার যোগ্য নয়; ‘ন স্ত্রী স্বাতন্ত্র্যর্মহতি’।”[২] বৃহদারণ্যক উপনিষদে ঋষি যাজ্ঞবল্ক্যের পরামর্শে জানা যাচ্ছে, “স্ত্রী যদি স্বামীর কামনা পূরণে অস্বীকৃত হয়, তাহলে প্রথমে তাকে মধুর বাক্যে বশীভূত করার চেষ্টা করবে। সেটা নিষ্ফল হলে তাকে কিনে নেবে (অর্থে নানা পার্থিব বস্তুর লোভ দেখাবে)। তাতেও যদি সে রাজি না হয়, তাহলে লাঠি দিয়ে বা হাত দিয়ে মেরে তাকে স্ববশে আনবে।”[৩] মৈত্রায়ণী ও তৈত্তিরীয় সংহিতার বচন অনুসারে জানা যাচ্ছে, “ধন বা নিজদেহের ওপরে নারীর কোনও অধিকার নেই।”[৪] বলা বাহুল্য, অন্যান্য ধর্মের নিরিখেও নারীর প্রতি পুরুষের এহেন মনোভাব কার্যত সমতুল।[৫] স্বভাবতই এতকাল যাবৎ সকল সামাজিক পরিসরেই প্রকটে-প্রচ্ছন্নে নারীকে অবদমিত রাখার পুরুষতান্ত্রিক নির্লজ্জ মনোভাব, উদাসীন, অকুণ্ঠ সমর্থন পেয়ে এসেছে। বিশ শতকের শেষভাগে দাঁড়িয়েও ‘দহন’ সেই নিষ্ফল সত্যকে উন্মোচিত করে। তার চেয়েও বড় দুঃসংবাদ হল একবিংশ শতাব্দীর সিকিভাগ পেরিয়েও সে অবস্থার বড় একটা পরিবর্তন ঘটেনি।

 

পলাশ, তূণীর, ও শরৎ, উপন্যাসের অন্যতম প্রধান তিন পুরুষ চরিত্র। সরাসরি এঁরাই আবার রমিতা, শ্রবণা ও মৃণালিনী, আখ্যানের অন্যতম প্রধান তিন নারী চরিত্রের সঙ্গেও সম্পর্কযুক্ত। এঁদের নিজেদের মধ্যকার যাতায়াত অনেকাংশে সরলরৈখিক। প্রত্যেক দুই অন্তঃবিন্দুতেই প্রত্যেক পুরুষ ও নারীর অবস্থান। ‘দহন’ উপন্যাসের প্রধান ঘটনাটিকে চুম্বকে এই সূত্রে ধরিয়ে দেওয়া প্রয়োজন। গল্পের শুরুতেই পলাশের স্ত্রী রমিতার উপর শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে। সেই সময় শ্রবণা ওরফে ঝিনুক তাকে বাঁচাতে যায়, ও নিজেও আক্রান্ত হয়। পরবর্তীতে ঝিনুকেরই প্রধান উৎসাহে সমগ্র ঘটনা পুলিশকে জানানো হয় ও অপরাধীরাও প্রাথমিক তদন্তে গ্রেফতার হয়। এরপর এই প্রসঙ্গে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতেই, ক্রমশ অপরাধীদের সামাজিক প্রভাব গোটা বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করতে শুরু করে। সবশেষে দেখা যায় একা শ্রবণা ওরফে ঝিনুক শেষ অবধি লড়ে গেলেও, বাকি সকলে – এমনকি রমিতা ও রমিতার পরিবার অবধি তার পাশ থেকে সরে দাঁড়ায়। ‘লজ্জা নারীর ভূষণ’ তাই এসব ‘বাইরের নোংরা ব্যাপারে’ ‘বাড়ির মেয়ে’রা কি যেতে পারে কোনওদিন? নাকি যাওয়া উচিত? এই অপমান গায়ে লেপেই সমাজ বাধ্য করে ঝিনুক ছাড়া ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর প্রায় সকল চরিত্রকে ন্যায় ও সত্যের পথ থেকে ইতস্তত সরে আসতে। লক্ষ্য করা যায় সেই সরে আসার পিছনে একা রমিতারই অন্তত যতটা না কুণ্ঠাবোধ ছিল, বাকি পুরুষ সকলেরই ছিল নির্লজ্জ উন্নাসিকতা। কেবল শরৎ, অথবা রমিতার বাবা তপন, সংখ্যালঘু এঁদের অস্ফূট অসহায়তাকেও সুচিত্রা ভট্টাচার্য গল্পের ক্যানভাসে এক অবাক বিষণ্ণতায় বর্ণনা করেছেন।

 

এক-একটি সংলাপ বেছে নিই চলুন।

 

“পলাশের গলা দুমড়ে-মুচড়ে গেল, - খুব খবরের কাগজের হিরোইন হয়েছেন এখন। অ্যাট দ্য কস্ট অব ইওর স্ক্যান্ডাল।”[৬]

 

সুচিত্রা ভট্টাচার্যের কলমে ‘দহন’ উপন্যাসের অন্যতম প্রাপ্তি এমন এক-একটি সংলাপ। নাতিদীর্ঘ, কাটা-কাটা উচ্চারণে যা চিনিয়ে দেয় গড়পড়তা পুরুষের স্বরূপ। রমিতার স্বামী পলাশ। শ্রবণা ওরফে ঝিনুকের বীরত্বের কারণে গোড়া থেকেই তার মনের অবচেতনে এক দুঃসহনীয় হীনমন্যতার ভাব জন্মিয়ে ওঠে। এহেন এক-একটি সংলাপের মাধ্যমেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে রমিতার শ্বশুরবাড়ির পরিবারের বাকি সকলের চেয়েও রমিতার উপরে তাই পলাশের নিজস্ব আক্রমণ অনেক বেশি শাণিত। অনেকাংশে ক্ষমাহীন। পুরুষ হিসেবে নিজের স্ত্রীকে যে কোনও কাল-পরিসরে নিরঙ্কুশ ব্যবহারের ক্ষেত্রে শাস্ত্রবর্ণিত অবাধ অধিকারের কথা পলাশের প্রতিটি মস্তিষ্ক-কোষে জারিত হয়ে রয়েছে।

 

অন্যদিকে তূণীরের বিবর্তন ক্রমশ সময়ের ব্যবধানে পরিবর্তিত হতে দেখা যায়। যদিও শুরুতে নিজের ঘনিষ্ঠ প্রেমিকা ঝিনুকের সাহসিকতার গর্বে তূণীর গরীয়ান হলেও, সেই গর্বেও প্রচ্ছন্ন খেদ ও তাচ্ছিল্যের উপস্থিতি ফুটে উঠতে দেখা যায়। যেমন গল্পের সপ্তম অধ্যায়ে তার সংলাপ, “কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ছোঁড়া চারটে তোকে প্যাটপ্যাট করে দেখছে। দেখছে আর ভেতরে ভেতরে মরমে মরে যাচ্ছে। একটা পাঁচ ফুটি মেয়ের হাতে মার খেয়ে কী ক্যাডাভ্যারাস অবস্থা!”[৭] অথবা, “একটা মেয়ে বীরত্ব দেখিয়ে ফেললে অন্য মেয়েরা গর্বে ফুলে ওঠে।”[৮] – এমন সংলাপগুলিই প্রচ্ছন্নে তূণীরের মনোভাব দর্পণে প্রতিফলিত করে। যে মনোভাবে ঝিনুকের জয়ের চেয়ে, নিজের (নাকি পুরুষকুলের) পরাজয়ের ঘটনাই আদতে, অবচেতনে অস্ফূট যন্ত্রণায় অবস্থান করছে। তাই ক্রমশ গল্পের শেষভাগে যখন, এহেন তূণীরের কাছেই কুচক্রী শয়তানেরা চাকরি-সূত্রে বিদেশ-সফরের লোভনীয় প্রস্তাব নিয়ে হাজির হয়, ঝিনুকের বীরত্ব প্রসঙ্গে নিজের মনোভাব বদলে ফেলতে এতটুকুও দেরী হয় না তার। “তোর মতো একটা মেয়ের ওসব নোংরা কেসে ইনভলভড থাকা মানায় না,”[৯] তখন তূণীরের সংলাপ। পুরুষের আদর্শ বড় ঠুনকো। সেই নিয়ে জনমানসে বড় একটা নিন্দামন্দেরও কোনও অবকাশ নেই কোথাও। বিপরীতে সমাজের মেয়েদেরই এক এবং একমাত্র দায়, ‘সতীত্ব’রক্ষা করে চলা।

 

একই উপন্যাসে এর বিপরীতে আমরা অবশ্য শরতেরও চরিত্র পাই। সুচিত্রা ভট্টাচার্য দেখিয়েছেন আদর্শহীন সংখ্যাগুরু পুরুষের মাঝে সংখ্যালঘু শরতেরাও, এক-একজন সেই থেকেই যায়। বাস্তব দেখে, জ্বলে-পুড়ে-ক্ষয়ে-ভেঙে, বুড়ো হয়ে যাওয়া শরৎ, অনায়াসে তাই বলে দিতে পারে, “আরে বাবা, ছেলেরা নিজেদের দরকারে মেয়েদের শরীরের সম্মান বাড়ায়। নিজেদের দরকারেই আবার তাকে বিবস্ত্র করতে ছাড়ে না।”[১০] (রক্ত)পলাশের চটকের বিপরীতে হয়তো বা তাই পোড়া-ভেজা, অগোছালো শরতেরাই অনেক বেশি আদর্শের কাছাকাছি। বিকিকিনি-পুঁজির বাজারে অবশ্য সংখ্যালঘু তাদের তেমন কোনও গুরুত্ব নেই। লেখিকার কলমে শেষ অবধি সেই বাস্তব সত্যই গল্পের ক্যানভাসে সুস্পষ্ট উঠে আসতে পেরেছে।

 

ত্রিশ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে ‘দহন’কে ফিরে পড়া আমাদের মনে পড়িয়ে দেয় সুচিত্রা ভট্টাচার্যের আশ্চর্য সংলাপ-রচনা ও বর্ণনার ক্ষমতাকেই। দীর্ঘ আলোচনা বা বিশ্লেষণ ব্যতিরেকে, এক-একটি সাধারণ সংলাপ বা প্রতিক্রিয়ার বর্ণনায় গল্পের দর্পণে পৌরুষের বৈশিষ্ট্যের সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটে। পুরুষচরিত্র বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে আমরা লেখিকার কলমে কোনও বাহুল্য দেখি না। কেবল অবাক বিস্ময়ে দেখি ত্রিশ বছর পরবর্তীতেও, দেশ ও রাজ্যের বর্তমান আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতিতে সেহেন পৌরুষ ও তার জিনগত দম্ভের বড় একটা পরিবর্তন ঘটেনি। বরং ‘দহন’এর মতোই আজও, দুর্ভাগ্যজনক ভাবে নারীসমাজের এক বিরাট অংশও, যেন সেই পুরুষতন্ত্রেরই পদতলে নিজেকে নতুন করে সঁপে দিতে আগ্রহী।

 

‘দহন’এর শেষ ভাগে দেখি ঝিনুক ও তূণীরের পুনর্মিলন। সেই বর্ণনায় থমকিয়ে গিয়ে হঠাৎ আমার মনে হয়েছিল, আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে, আজকের কোনও সাহিত্যিক, শেষাংশটিকে এভাবে দেখাতেন না বোধহয়। নিশ্চিত করেই ঝিনুককে তিনি একাকীত্বে ফোটাতেন। ঝিনুক হয়তো একক হয়ে নিজেকে খুঁজত। ত্রিশ বছরের ব্যবধান যখন, এতদিনে নিশ্চয়ই এতটুকু আধুনিকতা আমরা অর্জন করতে পেরেছি। এতটুকু আমাদের অগ্রসর হওয়া। সেই নিয়ে শ্লাঘাবোধের আগেই চমকিয়ে থমকাতে হল আবার। ঋতুপর্ণ ঘোষের চলচ্চিত্রে নতুন করে দৃশ্যশ্রাব্যে যা অনুভব করলাম – তূণীরের আগমন-সংবাদ উপেক্ষা করে ‘শান্তিপারাবার’ বৃদ্ধাশ্রম থেকে বেরিয়ে আসার সময়, মৃণালিনীর উদ্দেশ্যে ঝিনুকের অন্তিম সংলাপ, “একা চলাফেরা করার অভ্যাসটা একটু থাক না ঠাম্মি, মোটরবাইকও তো মাঝেসাঝে খারাপ হয়ে যেতে পারে”[১১]। ঋতুপর্ণ সেই অনেককাল আগেই আমাদের আধুনিকতার পথে হাঁটিয়েছেন। আমরাই এতকালে পা মিলিয়ে উঠতে পারিনি। ছবির শেষদৃশ্যে তাই কান পেতে শোনা রমিতার নেপথ্য সংলাপ, “৯ নম্বর গলফ ক্লাব রোড। একসময় এটা আমার বাড়ি ছিল। আমার বাড়ির সামনে একটা কদম গাছ ছিল ...”[১২], পর্দাজুড়ে আটপৌরে একখানি ঘর। রোদ-ছায়ার ঝিলমিল। আমার মনে পড়ছিল ভার্জিনিয়া উলফ।

 

“Women have served all these centuries as looking glasses possessing the magic and delicious power of reflecting the figure of man at twice its natural size.”[১৩] – সুচিত্রা ভট্টাচার্যের কলম সেই আয়নার আশ্চর্য ক্ষমতাকেই যেন আমাদের সম্মুখে পুনর্বার উন্মোচিত করে। ঋতুপর্ণের ছবির শেষদৃশ্যে তাই – নারীর সেই নিজস্ব ঘরটুকুর প্রতিই পরিচালকের অকৃত্রিম শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। নারীকে যে ঘরের অধিকার, নিজস্ব নিঃসঙ্গতার অধিকার, এখনও অবধি পুরুষ দিয়ে উঠতে পারেনি। ব্যবধানের কাচের দেওয়াল ভাঙতে এখনও দেরি আছে অনেক।

 

সূত্রঃ

 

[১] ভট্টাচার্য, সুচিত্রা, ‘দহন’, আনন্দ পাবলিশার্স, নবম মুদ্রণ, এপ্রিল ২০১১, পৃ. ৬৬

[২] ভট্টাচার্য, সুকুমারী, ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’, দ্বিতীয় খণ্ড, গাঙচিল, জানুয়ারি ২০০২, পৃ. ৩৪০ 

[৩] তদেব, পৃ. ৩৪১

[৪] তদেব, পৃ. ৩৪১

[৫] বন্দ্যোপাধ্যায়, অমর্ত্য, ‘নারী ও ধর্ম’, নারীস্বত্ব পত্রিকা, নভেম্বর ২০২৩, https://nariswattwo.com/welcome/singlepost/women-and-religion%C2%A0-feminism-%C2%A0comparative-religion-%C2%A0gender-discrimination-

[৬] ভট্টাচার্য, সুচিত্রা, ‘দহন’, আনন্দ পাবলিশার্স, নবম মুদ্রণ, এপ্রিল ২০১১, পৃ. ৫২

[৭] তদেব, পৃ. ৬৭

[৮] তদেব, পৃ. ৬৮

[৯] তদেব, পৃ. ১৪৭

[১০] তদেব, পৃ. ৬৬

[১১] চলচ্চিত্র ‘দহন’, ঋতুপর্ণ ঘোষ, ১৯৯৭

[১২] তদেব

[১৩] Woolf, Virginia, ‘A Room of One’s Own’, Grafton, Ninth Reprint, 1977, pp. 41

লেখক: বিজ্ঞানী, কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক 

ছবি: সংগৃহীত 

 

0 Comments

Post Comment